1. live@bisshosangbad.com : বিশ্ব সংবাদ : বিশ্ব সংবাদ
  2. info@www.bisshosangbad.com : বিশ্ব সংবাদ :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে। মার্চে ২৯৮ ভুল তথ্য প্রচার, বাদ যাননি ড. ইউনূস-সেনাপ্রধান। সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের প্রতিক্রিয়া। শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ। ঈদ উদযাপনে মুমিনের করণীয়। নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত কারাবন্দি ইমরান খান! ১৭ বছর পর মানুষ শান্তিতে-স্বস্তিতে ও নতুন প্রত্যাশায় ঈদ করবে ——–বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী। পাচারের অর্থে দুবাইয়ে অট্টালিকা বাপ বেটার। ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন ফেডারেল সংস্হার।

সেবার ফি বৃদ্ধির চিন্তা খরচ বাড়বে মানুষের।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট।

আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে কর আহরণের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সেবার ফি বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে। অর্থ বিভাগ মনে করে, রাজস্ব আয়ে প্রত্যাশার চেয়ে হচ্ছে কম প্রবৃদ্ধি। তাই সরকারের আয় বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রত্যক্ষ করের পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সেবার ফি ও মূল্য প্রদান বাড়িয়ে কর বহির্ভূত উৎস থেকে আয় বাড়াতে চায় সরকার।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে বাজেটের আকার সাত লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা। আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেট প্রাক্কলন করা হয়েছে ৮ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। সেখানে রাজস্ব আহরণের প্রাক্কলন করা হয়েছে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত এই প্রাক্কলন ঠিক থাকলে এক অর্থবছরের ব্যবধানে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়বে ৫৫ হাজার কোটি। এই অর্থ সংগ্রহ করতে গিয়ে মানুষের ওপর করের চাপ বাড়বে। এর সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি সেবার ফি বাড়লে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়বে।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে নতুন করে ফি নির্ধারণ করতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে অনুসারে, ইতোমধ্যে কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ জনগণকে দেওয়া তাদের সেবার ফি ও চার্জ পুনর্নির্ধারণে কমিটিও গঠন করেছে। এ ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ, আমানতের সুদ, সেবা মূল্য ও অন্যান্য চার্জ থেকে কর বহির্ভূত আয় হয়, যা কর রাজস্বের পর সরকারের আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস। কিন্তু, এটি মোট বার্ষিক রাজস্বের দশ ভাগের এক ভাগের সামান্য বেশি, যা অন্যান্য উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশের তুলনায় অনেকটাই কম।

জানা গেছে, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে কর বহির্ভূত আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা, যা পরে সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু, প্রকৃত আয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট রাজস্বের মাত্র ৭ শতাংশ।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর আমাদের সময়কে বলেন, আমাদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বহু দিন ধরে সরকার ভর্তুকি দিয়ে সিটি করপোরেশন চালাচ্ছে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এতে কর বাড়িয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট