1. live@bisshosangbad.com : বিশ্ব সংবাদ : বিশ্ব সংবাদ
  2. info@www.bisshosangbad.com : বিশ্ব সংবাদ :
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মার্চে ২৯৮ ভুল তথ্য প্রচার, বাদ যাননি ড. ইউনূস-সেনাপ্রধান। সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের প্রতিক্রিয়া। শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, সোমবার ঈদ। ঈদ উদযাপনে মুমিনের করণীয়। নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত কারাবন্দি ইমরান খান! ১৭ বছর পর মানুষ শান্তিতে-স্বস্তিতে ও নতুন প্রত্যাশায় ঈদ করবে ——–বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী। পাচারের অর্থে দুবাইয়ে অট্টালিকা বাপ বেটার। ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন ফেডারেল সংস্হার। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশা যেন উল্টো যাত্রা না হয় ——- বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী।

১৭ বছরে ভোটার চান ড. ইউনূস, এনসিপির প্রস্তাব ১৬ বছর, আরো যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্ট।

ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স ১৬ বছর করার জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। গতকাল রোববার সংস্কার প্রস্তাবের সুপারিশমালা কমিশনে জমা দিয়েছে দলটি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলে।

গত অগাস্টে শেখ হাসিনার সরকারকে পতনের অভ্যুত্থানে জেন-জি প্রজন্ম তথা কিশোর-তরুণ প্রজন্মের ভূমিকাকে ভোটার হওয়ার বয়স ১৬ বছর করার পক্ষে যুক্তি হিসেবে খাঁড়া করেছে এনসিপি। দলটির মত, অভ্যুত্থানে জেন-জির ভূমিকা বিবেচনায় নিলে ভোটারের বয়স ১৮ বছরে সীমিত রাখা গ্রহণযোগ্য নয়।

এনসিপির বহু আগেই অভ্যুত্থানের নেতাদের আহ্বানে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটার করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। গত বছর ২৭ ডিসেম্বর এক আলোচনায় সভায় তিনি ভোটারের বয়স ১৭ বছর করার পক্ষে মত দেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ হওয়া উচিত। নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবে, তা আমার জানা নেই। কিন্তু দেশের বেশির ভাগ মানুষ যদি কমিশনের সুপারিশ করা বয়স পছন্দ করে, ঐকমত্যে পৌঁছার জন‍্য আমি তা মেনে নেব।

তবে ড. ইউনূস বা এনসিপির এই প্রস্তাব বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ১৮ বছরের নিচে অর্থাৎ অপ্রাপ্তবয়স্কদের ভোটার ক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনি বাধা এবং শিশু অধিকার লঙ্ঘনের কথা তুলে ধরেছেন আইনজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞরা।

১৬ বছর বয়সীদের ভোটার করা হলে প্রটেকশনের ক্ষেত্রে শিশুরা বড় আকারে অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তিনি বলেন, দেখুন এগুলো শিশুতোষ আলাপ। শিশুরা সম্পত্তির মালিক হতে পারে, কিন্তু আইন অনুযায়ী সরাসরি বিক্রি বা অন্য কিছু করতে পারে না। অভিভাবকের মাধ্যমে করতে হয়। অভিভাবকেরাও নিজে থেকে কিছু করতে পারেন না, আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে সেটি যদি শিশুর রক্ষণাবেক্ষণ বা বড় করার জন্য ভরণপোষণের জন্য প্রয়োজন হয় তবে করতে পারেন। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, সম্পত্তির অধিকার থেকে শুরু করে কোনো কিছুতেই শিশুর নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আইনগত স্বীকৃতি কোথাও নেই। সেখানে ভোট দেওয়ার মতো বিষয়ে শিশু কীভাবে দেবে? ২০১৩ সালের শিশু আইনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৮ বছর পর্যন্ত শিশু। ১৮ বছর হওয়ার পর তার ভোট দেওয়ার অধিকারসহ অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার তৈরি হচ্ছে। ১৬ বছর করার যে দাবি, এটি আসলে অর্বাচিন দাবি। এগুলো বিবেচনায় নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ নেই।ভোটারের বয়স কমাতে থাকলে শিশুর প্রটেকশনের জায়গাটা কমে আসবে উল্লেখ করে এই আইনজীবী বলেন, তারা বুঝছে না আইনের দিকে যে ঝুঁকিটা তৈরি হবে, সেটি সামাল দিতে পারবে না। শিশু আইনে তাদের যাতে জেলের মধ্যে না রাখে, তার জন্য শাস্তি না দিয়ে সংশোধন করার জন্য সংশোধনাগার তৈরি করা হয়েছে। শিশুর প্রটেকশনের জন্য জাতিসংঘের শিশুসনদে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে। সেটিতে স্বাক্ষর করায় ১৯৭৯ সালের আইন পরিবর্তন করে ২০১৩ সালে নতুন আইন করা।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিএনপি নেতা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রাত্তন কেন্দ্রীয় নেতা, বিগত একাদশ সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ০২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন সংগ্রহকারী জননেতা মাহবুব চৌধুরী ২৩ বছর বয়সে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হওয়ার বয়স বর্তমানে ২৫ আছে, ২৩ বছর বয়সে একজনের পড়াশোনাই তো সঠিকভাবে শেষ হয় না অনার্স, মাস্টার্স। তো এটি করার মাধ্যমে তরুণদের পড়াশোনার জায়গা থেকে নিরুৎসাহিত করা হবে। সে আসলে তখন রাজনীতির কী বোঝে? পরিপক্ব সিদ্ধান্ত নিতে গেলে তো একটি বয়সের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া সংবিধানে তো ভোটার ১৮ বছর ও প্রার্থী ২৫ বছর হওয়ার বয়স বলা আছে। কাজেই সংবিধানের কোনো জিনিস পরিবর্তন হলে সংসদ দরকার হয়।
১৬ বা ১৭ বছর বয়সীদের ভোটার করতে হলে সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। এটি করতে হলে সংসদ লাগবে। ঐকমত্য লাগবে। অন্যরা যে পরামর্শই দিক, আমি মনে করি প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে ২৫ বছর এবং ভোটার হওয়ার বয়স ১৮ বছর এটিই ঠিক আছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, স্লোভেনিয়ায় ১৬ বছর বয়সী যদি কেউ চাকরিজীবী হয়, তখন তাকে ভোট দিতে দেওয়া হয়। আর এস্তোনিয়ায় ১৬ বছর বয়সীদের শুধু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভোট দিতে দেওয়া হয়। আমি দু-একটি দেশের উদাহরণ জানি, যেখানে ভোটারের বয়স ১৭ আছে। এ রকম একটি দেশ হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া সেখানে বিয়ের বয়সও ১৭। এ ছাড়া বেশির ভাগ দেশে ভোটার হওয়ার বয়স ১৮। তারপরও যেহেতু ছাত্ররা আন্দোলনে নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন, তাই তাঁরা মনে করছেন ১৬-তেই ম্যাচিউরড হয়ে যাচ্ছেন।সংবিধান নতুন করে লেখা বা সংশোধন সংসদ ছাড়া হবে না উল্লেখ করে আব্দুল আলীম বলেন, আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অথবা সীমানা নির্ধারণ আইন সংশোধন অধ্যাদেশ দিয়েও করা যায়। আমি সরাসরি এ বিষয়ে কিছু বললাম না। তবে এটি অসম্ভব বলে কিছু না। কিন্তু এটি করতে হলে ঐকমত্য লাগবে। প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩-এর বিষয়ে এই নির্বাচন বিশেষজ্ঞের মত, ২৩, ২৪, ২৫ কাছাকাছি। আমার মনে হয়, যেটি আছে, ঠিক আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট